শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বহরে যুক্ত হলো নতুন জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা ৩৯নং ওয়ার্ডের বন্দরটিলার অলি-গলি,ও বাসা-বাড়িতে আমীর খসরু’র ধানের শীষ সমর্থনে গণসংযোগ.. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। চট্টগ্রামে ল্যাসিং আনল্যাসিং শ্রমিকদের চাকুরীচ্যুতে প্রতিবাদে মানববন্ধন ইউরোপীয়ান প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ক্রীড়া সমিতি কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত ইপিজেডে সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদের উপদেষ্টা পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত এই আসন থেকে আমার বাবাকেও নির্বাচিত করেছিলেন আমাকেও ৩বার এবার আবারও আপনারাই নির্বাচিত করবেন- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্মরণের আবরণে শাহসূফী সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন সরকারের অনুকূলে ২০৩.৪৭ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর।

নীলফামারীতে চিচিংগার ভালোদাম পাওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহী উঠছে কৃষক

নীলফামারীতে চিচিংগার ভালোদাম পাওয়ায় চাষাবাদে আগ্রহী উঠছে কৃষক

সত্যেন্দ্রনাথ রায়,নীলফামারী,প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডোমারে অল্প খরচে অধিক লাভ
হওয়ায় চিচিংগা চাষে আগ্রহী উঠছে কৃষক।

এবারের আবহাওয়া অনুকুলে থাকায়
চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন ও ভালোদাম পাওয়ায় চিচিংগা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে কৃষক।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার হরিনচড়া ইউনিয়নের হংসরাজ গ্রামে চিচিংগা চাষী মনোরঞ্জনের খেতে গিয়ে কথা হলে বলেন পনের বছরের অধিক সময় ধরে আমি চিচিংগা চাষে যুক্ত।এবারো ১২ শতাংশ জমিতে চিচিংগা চাষ করেছি। অগ্রহায়ণ মাসের
শেষের দিকে জমিনে চারা করতে হয়।মাঘমাস শেষে জমিতে চারা বপন করি। চারা লাগানোর একহতে দের মাসের মধ্যেই গাঁছে ফলদেয়া শুরু করে। মাচা তৈরি পর্যন্ত সবমিলিয়ে খরচ তার ৬ হাজার টাকা। এ যাবৎ আমার বিক্রী হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। খরচ
তুলে এখন লাভ হয়েছে। তাছারা আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আরো একমাস খেতের চিচিংগা বিক্রী করতে পারবো। শুরুতে ৮০ টাকা কেজি দরে চিচিংগা বিক্রী করেছিলাম। এখন কেজি ৩০টাকা।ক্ষেত হতে সপ্তাহে দুইবার চিচিংগা তোলা যেত ফলন আসত ৪ হতে ৫ মন। বর্তমানে ২ হতে ৩ মন আসে। দামে কম হলেও নেই কোন ক্ষতির সম্ভাবনা। কৃষক মনোরঞ্জন জানান আমার চিচিংগার ফলন ও লাভ দেখে এলাকার অনেকে কৃষক এখন চিচিংগা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। জানতে চাইলে মরামর্শও দিচ্ছি । যে কারনে বাজারে চিচিংগার মজুদ বেশী হয় দামে কিছুটা ভাটা।এ
দিকে সোনারায় ইউনিয়নের চিচিংগা চাষী আব্দুল জলিলও বলেন আমিও বিশ বছর ধরে চিচিংগা চাষ করছি এই সবজি খুবই লাভজনক।আমার দেখে এলাকার ত্রিশ জনেরও বেশী কৃষক এখন চিচিংগা চাষ করছে। অল্প জমিতে সল্প খরচে সামান্য পরিশ্রমে চাষাবাদ করাযায়।

কথা হলে ডোমার উপজেলা কৃষি অফিসার (কৃষিবিদ)রফিকুল ইসলাম বলেন এবারে উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে চিচিংগার চাষাবাদ করা হয়েছে। তাছারা আমাদের উপসহকারী কৃষি অফিসার গন নিয়মিত প্রান্তিক কৃষকের মাঠে গিয়ে অধিক ফলন ও রোগবালাই প্রতিরোধ বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে আসছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com