রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে”বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন বিএসএফ এইচ পাওয়ার ও সিএনজি চালক কমিটির কার্ড বিতরণ। জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন ভবদহ পানি নিষ্কাসন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক এর মৃত্যুতে অভয়নগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ। লামায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত অভিযোগ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের শত শত কোটি টাকা লুটপাটের মহড়ায় জিএম ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইউসুফ নির্বাহী পরিচালক প্রযুক্তি নিয়মিত করছেন নাবিক বানিজ্য। বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি বন্দর ইপিজেড-পতেঙ্গা থানা’র বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনলাইন আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান মসজিদের জায়গা দখল করে পতিতালয়, ভেঙে দিয়ে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বিপুল পরিমাণে অস্ত্র, গোলাবারুদ সহ মিন্টুকে আটক করেছে-> কোস্ট গার্ড

চট্টগ্রামে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী

চট্টগ্রামে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ফিরে পেতে আকুতি পরিবারের

মোঃ মাহিন উদ্দিন ঃঃ – চট্টগ্রাম 

গত ৯ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকার ব্যবসায়ী মো. রহিম উল্লাহ (৪৫)। নিখোঁজ রহিমের পরিবার তার সন্ধানে পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও এখনও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আকবরশাহ ও পাঁচলাইশ থানায় সাধারণ ডায়েরি হলেও পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে নিখোঁজ বক্তির পরিবার।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নিখোঁজ রহিম উল্লাহর স্ত্রী ফারজানা রহমান।

ফারজানা রহমান বলেন, “গত ৯ দিন ধরে আমার স্বামীর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। পুলিশের কাছে গিয়েছি, কিন্তু তাদের তেমন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখছি না। আমি আমার স্বামীকে ফেরত চাই।”

নিখোঁজের স্ত্রী ফারজানা রহমান জানান, মো. রহিম উল্লাহ দীর্ঘ ২০ বছর যাবত আকবর শাহ পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় মেসার্স রহিম ডিপার্টমেন্টাল স্টোর পরিচালনা করে আসছেন।

তিনি জানান, গত ৫ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় ফারজানার। এর পর থেকে রহিম উল্লাহর ব্যবহৃত দুইটি নাম্বার বন্ধ রয়েছে।

ফারজানা রহমান বলেন, “প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় খেতে আসেন রহিম উল্লাহ। কখনও না আসলে তিনি আমাকে ফোনে জানিয়ে দেন। কিন্তু ৫ মার্চ দুপুরে তিনি বাসায় আসেননি। আমি তার ব্যবহৃত দুইটি নাম্বারে (রবি ও জিপি) ফোন করলেও নাম্বার দুইটি বন্ধ পাই। আমি মনে করেছি হয়তো কোথাও জরুরি কাজে গিয়েছেন এবং মোবাইলে চার্জ নেই। বিকেল ৪টার দিকে আমার স্বামীর ভাগিনা মোহাম্মদ আরিফুল হক যিনি দোকান পরিচালনা করেন তিনি আমাকে ফোন করে জানান, তিনিও রহিমের নাম্বার বন্ধ পাচ্ছেন। রাত ১০ টার দিকে আরিফ দোকান বন্ধ করে বাসায় চাবি দিতে আসলে তখনও রহিম বাসায় ফেরেননি।”

তিনি বলেন, “৬ মার্চ আমরা আমরা আকবরশাহ থানায় যাই এবং পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করি। আকবরশাহ থানায় আমি একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। আকবরশাহ থানা পুলিশ মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিং করে আমাদেরকে জানায়, আমার স্বামী রহিম উল্লাহর সর্বশেষ অবস্থান ছিল পাঁচলাইশ থানাধীন সিএসসিআর হাসপাতালে। আমার স্বামী সিএসসিআর হাসপাতালে একজন ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাতেন। পরে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিএসসিআর হাসপাতালে ডাক্তারের সহকারী সুজনের কাছে যাই এবং সুজন আমাদের নিশ্চিত করে ডাক্তার দেখানোর বিষয়ে কথা বলার জন্য আমার স্বামী রহিম উল্লাহ সিএসসিআর হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং কথা বলে তিনি বের হয়ে গেছেন।”

ফারজানা রহমান বলেন, ”পরে আমরা প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন লোকেশনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আমার স্বামী রহিম উল্লাহকে সনাক্ত করি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে স্বামী রহিম উল্লাহ প্রবর্তক মোড় থেকে মিমি সুপার মার্কেট অতিক্রম করে ২নং গেইটের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। এর পর আর কোনো ফুটেজে তাকে আমরা সনাক্ত করতে পারিনি এবং অদ্যাবধি তার কোনো খোঁজ আমরা পাইনি।”

তিনি বলেন, “আমি তিন সন্তান নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমার স্বামীর সন্ধান চাই। আমার স্বামীকে ফেরত চাই৷ আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন আমার স্বামীকে খুঁজে দেন।”

ফারজানা রহমান বলেন, “আমার স্বামীকে ফেরত পেতে আপনাদের মাধ্যমে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

এ ঘটনায় ৬ মার্চ নগরীর আকবরশাহ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজের স্ত্রী ফারজানা রহমান। পরে সর্বশেষ নিখোঁজের স্থান নিশ্চিতের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় আরও একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজের ভাগিনা মোহাম্মদ আরিফুল হক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com