রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
ইপিজেড থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ৫ কেজি গাঁজা,মাদক বিক্রয়ের নগদ টাকা ও ১টি মোটরসাইকেলসহ ১ গ্রেফতার নতুন কৌশলে মেয়ে দিয়ে ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। চট্টগ্রামে ৭.৬৫ মডেলের বিদেশি পিস্তলসহ ১জনকে গ্রেফতার করেছে – ডিবি বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। ৮কেজি হেরোইন ১৪,০০০ হাজার পিস ইয়াবা ও মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত বাসসহ গ্রেফতার ৩ ডিবি পশ্চিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ম ৯মাসের তুলনামূলক পারফরম্যান্স রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের জোর তৎপরতায় ভূয়া নথিপত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার পাচারের অপচেষ্টাকালে কন্টেইনার আটক যশোরে ঈদ শেষে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত ডবলমুরিং থানার বিশেষ অভিযানে ৪,১২,৪৯০/- টাকা ২ ভরি স্বর্ণালংকার, ১টি সিএনজি অটো রিক্সা সহ ৩ প্রতারক গ্রেফতার নওয়াপাড়ায় বিএনপি নেতা মরহুম বাচ্চু খান ( সর্দার) এর বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।

চট্টগ্রামে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী

চট্টগ্রামে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী ফিরে পেতে আকুতি পরিবারের

মোঃ মাহিন উদ্দিন ঃঃ – চট্টগ্রাম 

গত ৯ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকার ব্যবসায়ী মো. রহিম উল্লাহ (৪৫)। নিখোঁজ রহিমের পরিবার তার সন্ধানে পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও এখনও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আকবরশাহ ও পাঁচলাইশ থানায় সাধারণ ডায়েরি হলেও পুলিশ তাকে খুঁজে বের করতে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে নিখোঁজ বক্তির পরিবার।

মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন নিখোঁজ রহিম উল্লাহর স্ত্রী ফারজানা রহমান।

ফারজানা রহমান বলেন, “গত ৯ দিন ধরে আমার স্বামীর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। পুলিশের কাছে গিয়েছি, কিন্তু তাদের তেমন কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখছি না। আমি আমার স্বামীকে ফেরত চাই।”

নিখোঁজের স্ত্রী ফারজানা রহমান জানান, মো. রহিম উল্লাহ দীর্ঘ ২০ বছর যাবত আকবর শাহ পাকা রাস্তার মাথা এলাকায় মেসার্স রহিম ডিপার্টমেন্টাল স্টোর পরিচালনা করে আসছেন।

তিনি জানান, গত ৫ মার্চ দুপুর ১২টার দিকে তার সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় ফারজানার। এর পর থেকে রহিম উল্লাহর ব্যবহৃত দুইটি নাম্বার বন্ধ রয়েছে।

ফারজানা রহমান বলেন, “প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাসায় খেতে আসেন রহিম উল্লাহ। কখনও না আসলে তিনি আমাকে ফোনে জানিয়ে দেন। কিন্তু ৫ মার্চ দুপুরে তিনি বাসায় আসেননি। আমি তার ব্যবহৃত দুইটি নাম্বারে (রবি ও জিপি) ফোন করলেও নাম্বার দুইটি বন্ধ পাই। আমি মনে করেছি হয়তো কোথাও জরুরি কাজে গিয়েছেন এবং মোবাইলে চার্জ নেই। বিকেল ৪টার দিকে আমার স্বামীর ভাগিনা মোহাম্মদ আরিফুল হক যিনি দোকান পরিচালনা করেন তিনি আমাকে ফোন করে জানান, তিনিও রহিমের নাম্বার বন্ধ পাচ্ছেন। রাত ১০ টার দিকে আরিফ দোকান বন্ধ করে বাসায় চাবি দিতে আসলে তখনও রহিম বাসায় ফেরেননি।”

তিনি বলেন, “৬ মার্চ আমরা আমরা আকবরশাহ থানায় যাই এবং পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করি। আকবরশাহ থানায় আমি একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। আকবরশাহ থানা পুলিশ মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিং করে আমাদেরকে জানায়, আমার স্বামী রহিম উল্লাহর সর্বশেষ অবস্থান ছিল পাঁচলাইশ থানাধীন সিএসসিআর হাসপাতালে। আমার স্বামী সিএসসিআর হাসপাতালে একজন ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা করাতেন। পরে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সিএসসিআর হাসপাতালে ডাক্তারের সহকারী সুজনের কাছে যাই এবং সুজন আমাদের নিশ্চিত করে ডাক্তার দেখানোর বিষয়ে কথা বলার জন্য আমার স্বামী রহিম উল্লাহ সিএসসিআর হাসপাতালে গিয়েছিলেন এবং কথা বলে তিনি বের হয়ে গেছেন।”

ফারজানা রহমান বলেন, ”পরে আমরা প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন লোকেশনের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আমার স্বামী রহিম উল্লাহকে সনাক্ত করি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে স্বামী রহিম উল্লাহ প্রবর্তক মোড় থেকে মিমি সুপার মার্কেট অতিক্রম করে ২নং গেইটের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। এর পর আর কোনো ফুটেজে তাকে আমরা সনাক্ত করতে পারিনি এবং অদ্যাবধি তার কোনো খোঁজ আমরা পাইনি।”

তিনি বলেন, “আমি তিন সন্তান নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমার স্বামীর সন্ধান চাই। আমার স্বামীকে ফেরত চাই৷ আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি তারা যেন আমার স্বামীকে খুঁজে দেন।”

ফারজানা রহমান বলেন, “আমার স্বামীকে ফেরত পেতে আপনাদের মাধ্যমে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের আইজিপির দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

এ ঘটনায় ৬ মার্চ নগরীর আকবরশাহ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজের স্ত্রী ফারজানা রহমান। পরে সর্বশেষ নিখোঁজের স্থান নিশ্চিতের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় আরও একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নিখোঁজের ভাগিনা মোহাম্মদ আরিফুল হক।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com