রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা.) চট্টগ্রামে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ থানায় রদবদল সিএমপির হালিশহর থানায় হাজেরা আক্তার টুনি ও নুর নাহার ঝিল্লি ৮ কেজি গাঁজা সহ হাতে নাতে গ্রেফতার। চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে”বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন বিএসএফ এইচ পাওয়ার ও সিএনজি চালক কমিটির কার্ড বিতরণ। জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন ভবদহ পানি নিষ্কাসন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক এর মৃত্যুতে অভয়নগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোক প্রকাশ।

আজ বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা।

 

আজ বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা

বাবলু বড়ুয়া চট্টগ্রাম থেকে  ঃবৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর)

বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব প্রবারণা পূর্নিমা আজ। প্রবারণা পূর্ণিমা মূলত, পূজনীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের অনুষ্ঠান। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের অনুষ্ঠান সত্ত্বেও ইহা এখন বৌদ্ধ গৃহীদের শ্রেষ্ঠতম সামাজিক,ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো আত্মনিবেদন করা। তাই বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস ব্যাপী বিহারে থাকবেন সেখানে বর্ষাব্রত পালন করবেন, সে বিহারে থেকে জ্ঞান চর্চা করবেন। প্রবারণাকে বৌদ্ধরা চট্টগ্রামে বড় ছাদাং ও বলে থাকে, এর অর্থ হলো বড় উপোস দিবস। উপোস হলো গৃহীদের চব্বিশ ঘণ্টার জন্য অষ্টশীলব্রত পালন করা।

এদিনে সকালে বৌদ্ধ নর-নারীরা বিহারে পরিষ্কার পোষাক। পরিধান করে,বুদ্ধকে পূজা দেয়,ভিক্ষুসংঘকে আহার্য দান করেন, পঞশীল ও অষ্টশীল পালন করেন, বিহারে ধ্যান সমাধি ও ধর্মালোচনা হয়। বৌদ্ধদের ঘরে ঘরে এ দিনে ভালো রান্না-বান্না হয়। অতিথিদের পায়েশ আপ্যায়ন করা হয়। সন্ধ্যায় প্রধান আকর্ষন হলো প্রত্যেক বিহারে বিহারে আকাশ প্রদীপ অর্থাৎ ফানুস উত্তলোন করা হয়। ফানুস উত্তলোনের উদ্দেশ্য হলো আকাশে ভাসমান গৌতম বুদ্ধের পবিত্র কেশ ধাতুকে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে বন্দনা বা প্রার্থণা করা। “সব্বেসত্বা সুখিতাহন্তো- জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক”!

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com