শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২১ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
ইপিজেডে সম্মিলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদের উপদেষ্টা পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত এই আসন থেকে আমার বাবাকেও নির্বাচিত করেছিলেন আমাকেও ৩বার এবার আবারও আপনারাই নির্বাচিত করবেন- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্মরণের আবরণে শাহসূফী সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন সরকারের অনুকূলে ২০৩.৪৭ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর। বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৫তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা–২০২৬ জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় অভয়নগরে স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া মাহফিল ও শীতবস্ত্র বিতরন।  ঐতিহ্যবাহী ডিসি পার্কে আগামীকাল ৯ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে মাসব্যাপী ফুল উৎসব। নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও নওয়াপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরিক্ষার ফলাফল ঘোষণা সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য সম্মাননা পেলেন হাজী মুজিবুল হক বিএসসি”র ৫৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুনাফা এবার ৩০৬.৫৬ কোটি টাকা

আজ বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা।

 

আজ বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা

বাবলু বড়ুয়া চট্টগ্রাম থেকে  ঃবৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর)

বৈাদ্ধ ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব প্রবারণা পূর্নিমা আজ। প্রবারণা পূর্ণিমা মূলত, পূজনীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের অনুষ্ঠান। বৌদ্ধ ভিক্ষুদের অনুষ্ঠান সত্ত্বেও ইহা এখন বৌদ্ধ গৃহীদের শ্রেষ্ঠতম সামাজিক,ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রবারণা শব্দের অর্থ হলো আত্মনিবেদন করা। তাই বৌদ্ধ ভিক্ষুরা আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা পর্যন্ত তিন মাস ব্যাপী বিহারে থাকবেন সেখানে বর্ষাব্রত পালন করবেন, সে বিহারে থেকে জ্ঞান চর্চা করবেন। প্রবারণাকে বৌদ্ধরা চট্টগ্রামে বড় ছাদাং ও বলে থাকে, এর অর্থ হলো বড় উপোস দিবস। উপোস হলো গৃহীদের চব্বিশ ঘণ্টার জন্য অষ্টশীলব্রত পালন করা।

এদিনে সকালে বৌদ্ধ নর-নারীরা বিহারে পরিষ্কার পোষাক। পরিধান করে,বুদ্ধকে পূজা দেয়,ভিক্ষুসংঘকে আহার্য দান করেন, পঞশীল ও অষ্টশীল পালন করেন, বিহারে ধ্যান সমাধি ও ধর্মালোচনা হয়। বৌদ্ধদের ঘরে ঘরে এ দিনে ভালো রান্না-বান্না হয়। অতিথিদের পায়েশ আপ্যায়ন করা হয়। সন্ধ্যায় প্রধান আকর্ষন হলো প্রত্যেক বিহারে বিহারে আকাশ প্রদীপ অর্থাৎ ফানুস উত্তলোন করা হয়। ফানুস উত্তলোনের উদ্দেশ্য হলো আকাশে ভাসমান গৌতম বুদ্ধের পবিত্র কেশ ধাতুকে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে বন্দনা বা প্রার্থণা করা। “সব্বেসত্বা সুখিতাহন্তো- জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক”!

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com