শুক্রবার, ১৯ Jul ২০২৪, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
ইপিজেড থানার অভিযানে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার লিঙ্গ বৈচিত্রময় হিজড়া জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, সুষ্ঠু ও সুন্দর শিক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের লক্ষ্য পবিত্র আশুরা ২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। ইপিজেড থানার অভিযানে অজ্ঞান পার্টির তিন সদস্য গ্রেফতার। আমার দরজা সবার জন্য সবসময় খোলা “মিট দ্য প্রেস” এ সিএমপি কমিশনার। ৪০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ ও ১লক্ষ ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিলাম আবুল কালাম হত্যাকাণ্ডের ক্লুলেস মামলার পলাতক আসামি আরিফ হোসেন’কে ৭২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৭ ৮০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ ও ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিলাম মোবাইলে খেলতে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের শিশু’কে ধর্ষণ আটক -১ র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১১ বেসরকারী পর্যায়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল চিকিৎসা সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে – ডাঃ সামন্ত লাল সেন- স্বাস্থ্য মন্ত্রী

পরিবেশ দূষণের কারণে বাংলাদেশে এক বছরে মারা গেছে ৮০ হাজার মানুষ: বিশ্বব্যাংক

বিশ্ব ব্যাঙ্ক বলছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর যতো মানুষের মৃত্যু হয় তার ২৮ শতাংশই মারা যায় পরিবেশ দূষণজনিত অসুখবিসুখের কারণে। কিন্তু সারা বিশ্বে এধরনের মৃত্যুর গড় মাত্র ১৬ শতাংশ।

রবিবার বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকির কারণে যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তার একটি বাংলাদেশ।

গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, ৭ থেকে ৮ প্রবৃদ্ধির একটি উচ্চতর মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে উঠতে হলে বাংলাদেশকে এখনই, বিশেষ করে শহর এলাকায় দূষণ রোধ করতে ও পরিবেশ রক্ষায় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশ্বব্যাংক ২০১৫ সালের এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছে, শহরাঞ্চলে এই দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে তারা বলছে, দূষণের কারণে ২০১৫ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশ দুষণজনিত কারণে বাংলাদেশে যেখানে ২৮ শতাংশ মৃত্যু হয় সেখানে মালদ্বীপে এই হার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

ভারতে ২৬ দশমিক ৫। পাকিস্তানে ২২ দশমিক ২। আফগানিস্তানে ২০ দশমিক ৬। শ্রীলঙ্কায় ১৩ দশমিক ৭।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নারী ও শিশুরা।

এর আগে ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের একটি গবেষণায় ঢাকাকে বসবাসের জন্যে দ্বিতীয় অযোগ্য শহর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এক নম্বরে ছিল যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক।

বিশ্বব্যাংক বলছে, দূষণের কারণে বাংলাদেশের বছরে ৬৫০ কোটি ডলার ক্ষতি হয় – যা মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপির প্রায় সাড়ে তিন শতাংশ।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকার বলেছেন, “নগরাঞ্চলে দূষণ ও পরিবেশের অবনতি হওয়ার কারণে বাংলাদেশকে অনেক মূল্য দিতে হচ্ছে। এর ফলে দেশটির ভালো প্রবৃদ্ধিও এখন হুমকির মুখে।”

এজন্যে বিশ্বব্যাংক জলাভূমি দখল, ক্ষতিকর বর্জ্য ঠিকমতো না ফেলা ইত্যাদিকে দায়ী করা হয়েছে। আর এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে নারী, শিশু এবং দরিদ্র মানুষের।

বিশ্বব্যাংকের হিসেবে দেখা গেছে, যে গার্মেন্ট খাত থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেই সেই খাত থেকেই প্রতি বছর ২৮ লাখ টনেরও বেশি বর্জ্য তৈরি হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ, যাদের বেশিরভাগই দরিদ্র, সীসা দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। এর ফলে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশসহ স্নায়ু-জনিত ক্ষতি হতে পারে।

গবেষণাটি বলছে, এর ফলে নারীর গর্ভপাত এবং মৃত শিশুর জন্মদানের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে।

বলা হচ্ছে, বৃহত্তর ঢাকার যেসব এলাকা ভারী ধাতবের কারণে দূষিত সেখানে সাধারণত দরিদ্র মানুষেরাই বসবাস করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা শহরে যতো জলাভূমি ছিল গত ৪০ বছরে তার ৭৫ শতাংশ হারিয়ে গেছে। এসব জলাভূমি ভরাট করে সেখানে বাড়িঘর তোলার কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে ছোট ছোট শহরগুলোও পরিবেশ দূষণের শিকার হচ্ছে।

এরকম একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে পাবনার কথা।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ১৯৯০ সালের পর পাবনা শহর তার অর্ধেক জলাভূমি হারিয়ে ফেলেছে এবং এই শহরের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ ইছামতী নদী এখন মৃতপ্রায়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com