শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
module:0facing:0;
hw-remosaic: 0;
touch: (-1.0, -1.0);
modeInfo: ;
sceneMode: Auto;
cct_value: 0;
AI_Scene: (-1, -1);
aec_lux: 0.0;
hist255: 0.0;
hist252~255: 0.0;
hist0~15: 0.0; নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৩ শে জুলাই ২০২৬ ইং
বন্দর নগরীর চট্টগ্রামের ৩৭ নং ওয়ার্ড টোল প্লাজা রোড এবং এছাক ডিপো ও জরিনা কলেজের সামনে নির্ধারিত মসজিদের জায়গা দখল করে দির্ঘ্যদিন ধরে পতিতালয়ের ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছিল, কিন্তু কোন ভাবেই তাদেরকে উৎখাত করা সম্ভব হচ্ছিল না, যে কারনে এলাকাবাসী, সুশীল সমাজ, এলাকার সমাজ কমিটি, মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটি, ছাত্র সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ও চট্টগ্রাম ট্রাক কভার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, ও এলাকার সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় পতিতালয় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে ৩টি পতিতালয় ভেঙ্গে আগুন লাগিয়ে দিয়ে মানববন্ধন করেছেন।
এসময়ে শ্রমিকদলের নেতা মোঃ মহিউদ্দিন, যুবদলের নেতা মাহাবুব, যুবদল নেতা ইয়াসিন আরাফাত, আজগর,৩৭ নং সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোঃ রিফাত, জহিরুল ইসলাম রাকিব, ৩৭ নং সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক, এবং ট্রাক কভারভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন,কার্যকরী সদস্য মোঃ সাজু,মোঃ রুবেল,
মোঃ রাকিব, সহ কয়েকশত লোক মানববন্ধন করে, এবং এলাকার ভিতরে প্রকাশ্যে পতিতালয় পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এসময়ে নেতৃবৃন্দরা বলেন,
চতুর্পাশে কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসা, চার পাঁচটি মসজিদ, এবং ট্রাক কভারভ্যান স্টান্ড, সহ বন্দরের মালামাল লোড আনলোড করার, শত-শত ড্রাইভার, হেলফারদের আনাগোনা, এর ভিতরে, দেহ ব্যাবসায়ী শ্রাবন্তী, পারভীন, ও শাপলা হিজড়ারা ৩ টি পতিতালয় পরিচালনা করে কেমনে,,?
এসময়ে নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, চট্টগ্রাম ডিসি বন্দরের অফিস থেকে মাত্র ৩শো গজ দুরে ও বন্দর থানা থেকে ৫ শো গজ দুরে এই দেহ ব্যাবসায়ীরা সরাসরি রাস্তার পাশে রুপসি নারীদের সাজিয়ে রেখে সরাসরি দেহ ব্যবসা পরিচালনা আমাদের জন্য সমাজের জন্য লজ্জার।
কলেজে যাওয়ার আসার পথে ছাত্র ছাত্রীরা মুখ ডেকে যাতায়াত করে,স্কুলের ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরা জিজ্ঞাসা করে বাবা মায়ের কাছে এরা কারা বাবা এখানে কেন সেজেগুজে বসে থাকে?
জরিনা কলেজের কয়েকজন ছাত্র বলেন, আমরা কলেজে যাওয়ার আসার সময় দেখি তারা বিভিন্ন লোকদের সাথে টানাটানি করে নগ্ন অবস্থায় বসে থাকে, আমাদের কে দেখলে বিভিন্ন রকমের খারাপ ইঙ্গিত করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাবা বলেন, আমার ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র সে বিভিন্ন লোকদের কাছ থেকে শুনে কৌতুহলী হয়ে সেখানে যায় দেখতে, পরে আমার সাথে দেখা হয়, ছেলে লজ্জায় বাড়িতে আসেনি অনেকদিন, এটা কাকে বলবো,?
মসজিদে নামাজ আদায় করা মুসল্লীরা টুপি দিয়ে মুখ ডেকে মসজিদে নামাজ আদায় করে। জরিনা কলেজের মেইন গেটের পাশে, ব্যাক্তি মালিকানা জায়গায় ৮টি রুম ভাড়া নিয়ে সেখানেই রাখে মেয়েদেরকে, যার বহু ভিডিও ফুটেজ দেখান এলাকাবাসী।
চট্টগ্রাম বন্দরের সিপিআর গেটে লোড-আনলোড করা ড্রাইভার ও হেলপাররা সিরিয়ালে গাড়ি রেখে দাড়ালে তাদের টানাটানি করে ভিতরে নিয়ে যায় এবং তাদেরকে অনেক সময় উলঙ্গ করে ব্লাকমেইল করে, টাকা, মোবাইল, ও গাড়ির কাগজপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স কবজা করে নিয়ে নেয়, লজ্জায় কেউ মুখ খুলতে পারেনা,
গফুর নামের একজন ড্রাইভার বলেন, আমার হেলপার চা খাওয়ার জন্য ঐ ঘরে ডুকে না যেনে, পরে তাকে পিছনের রুমে নিয়ে যেয়ে কয়েকটা মেয়ে দিয়ে উলঙ্গ করে ছবি তুলে ও ভিডিও করে ১০ হাজার টাকা দাবি করে, লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে না পেরে সম্মান বাচানোর জন্য মালিকের চালানের ৫ হাজার টাকা দিয়ে ছুটে আসি।
এভাবেই চলছিল শ্রাবন্তী হিজড়া, পারভীন, ও শাপলা হিজড়াদের পতিতালয়।
এলাকাবাসী আরো অনেক লোমহর্ষক কাহিনি তুলে ধরেন, এলাকাবাসী সুশীল সমাজ, ছাত্র সমাজ, ট্রাক কভার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, মসজিদ কমিটি, ও সর্বস্তরের জনগণ মানববন্ধনে বলেন,
আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি, আমাদের চারিপাশে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, এখানে কোন পতিতালয়ের জায়গা না, দয়া করে আমাদের সমাজটাকে পরিছন্ন রাখতে আপনারা সহযোগিতা করুন, সন্তানদেরকে মানুষ করে তুলতে দিন।